Skip to main content

কংগ্রেসের ভােট পর্যালােচনায় গরহাজির প্রাক্তন নেতা - মন্ত্রীরা !

 কংগ্রেসের ভােট পর্যালােচনায়  গরহাজির প্রাক্তন নেতা - মন্ত্রীরা !


dainik jugasankha
পরাজয় নিয়ে জেলা কংগ্রেসের ময়নাতদন্ত


 শিলচর , ১২ জুন : ‘ অপ্রত্যাশিতভাবে শিলচরে পরস্ত হয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী সুস্মিতা দেব । এর নেপথ্যে কারণ জানতে বুধবার ইন্দিরা ভবনে দলীয় কর্মী , পদাধিকারীদের সঙ্গে ভােট পর্যালােচনায় বৈঠকে মিলিত হন । তিনি । ওই বৈঠকে প্রকাশ্যে আসে । অন্তর্ঘাতের চিত্র । তবে অন্তর্ঘাতের চেয়ে আন্তরিকতার অভাবই বেশি । ফুটে উঠেছে । পাশাপাশি প্রকারান্তে জেলা কংগ্রেস । সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভেরও । বহিঃপ্রকাশ শােনা যায় । | এর চেয়েও লক্ষণীয় বিষয় । ছিল , এদিনের সভায় গরহাজির ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী গিরিন্দ্র মল্লিক , অজিত সিং , প্রাক্তন বিধায়ক রুমি

silchar news paper  সংবাদ


dainik jugasankha
শিলচর জেলা কংগ্রেস কমিটি

Silchar District Congress Committee

 নাথ , এনামুল হক লস্কর । শুধু তাঁরাই নন , জেলা কংগ্রেসের বেশির ভাগ কর্তাকেই বুধবারের সভায় দেখা যায়নি । জালাল আহমেদ মজুমদার । বলুন আর অরুণ দত্তমজুমদার জেলা
কার্যকরী কমিটির পদাধিকারীদের অনুপস্থিতি ছিল উল্লেখযােগ্য । এদিন সভা শুরু হয় সাড়ে বারােটা নাগাদ । প্রায় তিন ঘণ্টা চলে ম্যারাথন ভােট পর্যালােচনা । বিশেষ করে ব্লক কমিটির কর্তাদের রিপাের্ট । মঞ্চে বসে শােনেন । সাপর্ষদ সুস্মিতা দেব এবং বিধায়ক রাজদীপ গােয়ালা । বক্তাদের মধ্যে অনেকেই ক্ষোভ ঝাড়েন । ভােট ময়দানের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেন । এরমধ্যে উল্লেখযােগ্য জাহাঙ্গির আলম , জুনাইদ আহমেদ মজুমদার , রাজেন পালিত , মনজুর আহমেদ । চৌধুরী প্রমুখ । জাহাঙ্গির যেমন স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন , শহুরে নেতারা গ্রামে গেলে যথার্থ গুরুত্ব ।

dainik jugasankha  গরহাজির প্রাক্তন নেতা - মন্ত্রীরা !

Susmita dev
সুস্মিতা দেব : কঠিন সময়ে 


 পান । কিন্তু গ্রাম থেকে দলের কর্মীরা ইন্দিরা ভবনে এলে , তেমন কোনও গুরুত্ব পান । । তাছাড়া পঞ্চায়েত ভাের্টের হয়নি কোনও পর্যালােচনা । এর প্রতিফলন পড়েছে । ইভিএমে । জুনাইদ মজুমদার বলেছেন , অন্তর্ঘাত হয়েছে বলে তেমন কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি । তবে অনেকের আন্তরিকতার অভাব ছিল লক্ষণীয় । মনজুর আহমদ । চৌধুরী সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় কংগ্রেসের ভােট প্রাপ্তির পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেছেন , প্রাক্তন মন্ত্রী সিদ্দেক আহমদের শিলচরের কিছু চামচা অন্তর্ঘাত করেছেন প্রকাশ্যে । এর বিরুদ্ধে দল ব্যবস্থা না নিলে তিনি দল ছাড়তে পারেন । এমন সুর ছিল আরও অনেক বক্তার কণ্ঠে । সব শুনে সুস্মিতা দেব বলেছেন , কোনও নির্দিষ্ট একটি কারণে শিলচরে পরাজয় হয়নি তাঁর । একাধিক কারণে হেরেছেন । তবে হারলেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াতে চান । প্রাসঙ্গিক বক্তব্য রাখেন বিধায়ক রাজদীপ গােয়ালা । সভায় জেলাস্তরের সংখ্যালঘু নেতৃত্বের মধ্যে শরিফুজ্জামান লস্করের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযােগ্য । ছিলেন কমরুল চৌধুরী , রাজেশ দেব , পাপন - দেব , - সুজন দত্ত , অভিজিত পাল , দীপন দেওয়ানজি , পার্থরঞ্জন চক্রবর্তীরা । পৌরােহিত্য করেন সভাপতি প্রদীপকুমার দে । আর তাকে নিয়ে দলে যে প্রচণ্ড ক্ষোভ রয়েছে , এর আঁচ পাওয়া গেছে সভা শেষ হওয়ার পরও । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন , সুস্মিতার পরাজয়ের দায় স্বীকার করে লােক দেখানাে হলেও পদত্যাগ করা উচিত ছিল সভাপতি প্রদীপের । কিন্তু তিনি ১ সভাপতি পদ আঁকড়ে রয়েছেন । তবে সর্বভারতীয় স্তরে রাহুল গান্ধীর ইস্তফা গৃহীত হলে প্রদীপ কি স্বপদে বহাল থাকতে পারবেন , তাই দেখার বিষয় ।

Comments